জুলাই ১২, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী একটি জাহাজের ওপর ‘সতর্কতামূলক গুলি’ চালানোর জেরে কৌশলগত এই জলপথটি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। একইসঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে তৃতীয় দফায় সামরিক হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যকে নতুন করে উত্তেজনার দিকে ঠেলে দিয়েছে।
ববার ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌ-শাখা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না।
বিবৃতিতে আইআরজিসি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রম চলাকালীন কোনো বিদেশি জাহাজকেই এই পথে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। তারা এই পদক্ষেপকে ‘অবৈধ বিদেশি হস্তক্ষেপের’ বিরুদ্ধে সতর্কতা হিসেবে উল্লেখ করেছে।
বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করে। ফলে ইরানের এই সিদ্ধান্তে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এদিকে, ইরানকে পাল্টা জবাব দিতে রোববার স্থানীয় সময় ভোরের দিকে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে তৃতীয় দফার সামরিক হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড এই হামলার কথা নিশ্চিত করেছে। মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষের দাবি, হরমুজ প্রণালিতে একটি বেসামরিক জাহাজের ওপর ইরানের হামলার জবাবেই এই পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
গত শুক্রবার থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শুরু হওয়া পাল্টাপাল্টি হামলার ধারাবাহিকতায় এই সংঘাত চরম আকার ধারণ করেছে। বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলার জেরে এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয়।
ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানভিত্তিক লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই তেহরান এই জলপথের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ কঠোর করার কৌশল গ্রহণ করেছে।
উল্লেখ্য, বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশই এই কৌশলগত জলপথটি দিয়ে পরিবহন করা হয়।
হাশিম/শুভ
তথ্য ও ছবি: সিজিটিএন।
হরমুজ প্রণালি সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করল ইরান
জুলাই ১২, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী একটি জাহাজের ওপর ‘সতর্কতামূলক গুলি’ চালানোর জেরে কৌশলগত এই জলপথটি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। একইসঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে তৃতীয় দফায় সামরিক হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যকে নতুন করে উত্তেজনার দিকে ঠেলে দিয়েছে।
ববার ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌ-শাখা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না।
বিবৃতিতে আইআরজিসি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্যক্রম চলাকালীন কোনো বিদেশি জাহাজকেই এই পথে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। তারা এই পদক্ষেপকে ‘অবৈধ বিদেশি হস্তক্ষেপের’ বিরুদ্ধে সতর্কতা হিসেবে উল্লেখ করেছে।
বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করে। ফলে ইরানের এই সিদ্ধান্তে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এদিকে, ইরানকে পাল্টা জবাব দিতে রোববার স্থানীয় সময় ভোরের দিকে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে তৃতীয় দফার সামরিক হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড এই হামলার কথা নিশ্চিত করেছে। মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষের দাবি, হরমুজ প্রণালিতে একটি বেসামরিক জাহাজের ওপর ইরানের হামলার জবাবেই এই পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
গত শুক্রবার থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শুরু হওয়া পাল্টাপাল্টি হামলার ধারাবাহিকতায় এই সংঘাত চরম আকার ধারণ করেছে। বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলার জেরে এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয়।
ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানভিত্তিক লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই তেহরান এই জলপথের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ কঠোর করার কৌশল গ্রহণ করেছে।
উল্লেখ্য, বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশই এই কৌশলগত জলপথটি দিয়ে পরিবহন করা হয়।
হাশিম/শুভ
তথ্য ও ছবি: সিজিটিএন।















