শুক্রবার , ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৩রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আন্তর্জাতিক
  3. এভিয়েশন
  4. কৃষি
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. চায়না কর্ণার
  8. ছবি
  9. জনপ্রিয়
  10. জাতীয়
  11. ডেঙ্গু
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাস
  15. প্রযুক্তি

দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাওয়ায় হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ, সামান্য চড়থাপ্পড় দেওয়ার দাবি বিএনপি নেতার

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ ৬:২৭ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

রাজশাহীর বাগমারায় জামায়াতের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার কথা বলায় আওয়ামী লীগের এক নেতাকে মারধর করে হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা দাবি করেছেন, পরিস্থিতি শান্ত রাখতে শুধু সামান্য চড়থাপ্পড় দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বাগমারা উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের সাদোপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহত ব্যক্তি হলেন মুহিদুল ইসলাম (৪৮)। তিনি শ্রীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাদোপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় তিনি একজন পল্লিচিকিৎসক।

অভিযোগ উঠেছে, শ্রীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সালাম পারভেজের নির্দেশে এই হামলা চালানো হয়েছে।

আহতের পরিবারের অভিযোগ

আহত মুহিদুল ইসলামের স্বজনেরা জানান, বিএনপি নেতার নির্দেশে তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তবে ভয়ের কারণে তারা মামলা করতে সাহস পাচ্ছেন না।

আহত মুহিদুল ইসলাম বলেন,
‘বাম হাতে আঘাত পেয়েছি, হাত ভেঙে গেছে। মামলা করলে আরও ঝামেলা হবে বলে মামলা করব না।’

বিএনপি নেতার বক্তব্য

অভিযোগ প্রসঙ্গে বিএনপির শ্রীপুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালাম পারভেজ বলেন,
‘ওই আওয়ামী লীগ নেতাকে শুধু সামান্য চড়থাপ্পড় দেওয়া হয়েছে। ২০২২ সালে চেয়ারম্যান নির্বাচনের সময় তিনি আমাকে বিরক্ত করেছিলেন। ঘটনাটি বড় কিছু নয়, আমি এলাকা ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করছি।’

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুহিদুল ইসলাম মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। সাদোপাড়া ডাকঘরের সামনে পৌঁছালে একই গ্রামের বিএনপি কর্মী মোজাম্মেল হক, আরিফুল ইসলামসহ চার-পাঁচজন তার পথরোধ করেন।

তারা অভিযোগ করেন, মুহিদুল ইসলাম জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন এবং আওয়ামী লীগের লোকজনকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিতে বলেছেন। মুহিদুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করলে বিএনপি কর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে তারা লাঠি ও রড দিয়ে তার ওপর হামলা চালান।

চিৎকার শুনে মুহিদুল ইসলামের দুই ভাতিজা—খায়রুল ইসলাম (২৩)রাতুল ইসলাম (১৭) ঘটনাস্থলে এলে তাদেরও মারধর করা হয়। হামলাকারীরা পরে মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

আহতদের উদ্ধার করে তাহেরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তারা বাড়ি ফিরে যান।

পুলিশের বক্তব্য

বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম মারধরের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,
‘পুলিশ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি।

সর্বশেষ - খেলাধুলা