নির্বাচনকালীন সময়ে নগদ অর্থ বহন নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে বক্তব্য দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন জানিয়েছে, নির্দিষ্ট কোনো অঙ্কের বেশি টাকা বহনে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা নেই। বরং কেউ যদি বৈধ উৎস দেখাতে পারেন, তাহলে ৫০ লাখ নয়, এমনকি ৫ কোটি টাকা বহনেও আইনগত বাধা নেই।
মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
ইসি সূত্র জানায়, নির্বাচনকালীন সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সন্দেহভাজন লেনদেন বা নগদ অর্থ বহনের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। তবে অর্থের বৈধ উৎস—যেমন ব্যবসায়িক লেনদেন, ব্যাংক উত্তোলনের কাগজপত্র বা অন্যান্য গ্রহণযোগ্য নথি—দেখাতে পারলে তা বহনে কোনো সমস্যা নেই।
কমিশন আরও জানায়, নির্বাচনে কালো টাকা বা অবৈধ অর্থের ব্যবহার ঠেকাতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সন্দেহজনক অর্থ পরিবহন, অবৈধ লেনদেন বা ভোটে প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে অর্থ বিতরণের অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইসি কর্মকর্তারা বলেন, নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ রাখতে আর্থিক লেনদেনের ওপর বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। তবে সাধারণ ব্যবসা-বাণিজ্য বা ব্যক্তিগত বৈধ আর্থিক কার্যক্রমে অযথা হয়রানি না করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।ভোটের সময় একজন ব্যক্তি কত টাকা বহন করতে পারবেন— এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, টাকা যদি বৈধ হয় এবং এর উৎস বৈধভাবে দেখানো যায়, তাহলে কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই। ব্যক্তিগত কাজে যত খুশি টাকা বহন করা যাবে।
তবে ওই টাকা যদি ভোটে কাউকে প্রভাবিত করার কাজে ব্যবহার করা হয়, সে বিষয়টি দেখবে ‘নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি’। টাকা যদি অবৈধ হয়, তাহলে সে ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।



















