জুলাই ১৯,সিএমজি বাংলা ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে বাড়ছে তাপদাহ। রেকর্ড ভাঙা তাপপ্রবাহে অস্থির জনজীবন। এ পরিস্থিতিতে চীনের অন্যতম প্রধান ক্ষুদ্র গৃহস্থালি যন্ত্রপাতি উৎপাদন কেন্দ্র শেনচেন থেকে ফ্যান এবং এয়ার কন্ডিশনারসহ শীতলকারক পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে কয়েক গুণ। পণ্যের বৈচিত্র্যকরণ, মূল্য সেবা এবং দ্রুত কাস্টমস প্রক্রিয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিশ্ববাজারে নিজেদের চাহিদা বাড়াচ্ছে এখানকার স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো।
শেনচেনের পাও’আন জেলার একটি ইলেকট্রনিক্স প্রতিষ্ঠানে দেখা গেছে, বিশ্ব বাজারের জন্য কনটেইনারে ইলেকট্রিক ফ্যান লোডে ব্যস্ত সময় পার করছেন কর্মীরা।
প্রতিষ্ঠানটির ওয়্যারহাউস ম্যানেজার হে ক্যান জানান, ‘পিক আওয়ারে দিনে ১০টিরও বেশি কনটেইনার লোড করে তারা, যা সংখ্যায় প্রায় ২০ হাজার সেট ফ্যান।’
উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি সময়মতো সরববাহ নিশ্চিতে বিদেশি ক্রেতাদের ভিন্নধর্মী পেমেন্ট ব্যবস্থার কথা মাথায় রেখে একটি ‘পে-অ্যাজ-ইউ-গো’ মডেল চালু করেছে এ প্রতিষ্ঠানটি। এই পদ্ধতিতে গ্রাহকরা একটি নির্দিষ্ট ডিপোজিট দিয়ে পণ্য নিতে পারেন এবং ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে টপ-আপ করতে পারেন। এটি গ্রাহকদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি বাড়িয়েছে তাদের বিক্রিও।
প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা চাওসিপিং জানান, ‘ব্যবহারকারীরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য টপ-আপ করেন এবং একটি পাসওয়ার্ড পান। ফ্যানটি বাড়িতে নিয়ে পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর তারা ওই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এটি ব্যবহার করতে পারেন। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়ে গেলে পণ্যটি সম্পূর্ণভাবে তাদের মালিকানায় চলে যায়।’
যেহেতু শীতাতপ যন্ত্র একেবারেই ঋতুভিত্তিক এবং বিক্রির সময়সীমা খুব সংক্ষিপ্ত থাকে তাই উৎপাদন গতির পাশাপাশি কাস্টমস ও লজিস্টিকসের দক্ষতাও অর্ডার পাওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রপথে দ্রুত রপ্তানি নিশ্চিত করতে শেনচেন কাস্টমস বেশ কিছু সহজ ও কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে।
রাসেল/লুৎফর
তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি
বৈশ্বিক তাপদাহে কুলিং অ্যাপ্লায়েন্স রপ্তানিতে রেকর্ড ছুঁয়েছে শেনচেন
জুলাই ১৯,সিএমজি বাংলা ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে বাড়ছে তাপদাহ। রেকর্ড ভাঙা তাপপ্রবাহে অস্থির জনজীবন। এ পরিস্থিতিতে চীনের অন্যতম প্রধান ক্ষুদ্র গৃহস্থালি যন্ত্রপাতি উৎপাদন কেন্দ্র শেনচেন থেকে ফ্যান এবং এয়ার কন্ডিশনারসহ শীতলকারক পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে কয়েক গুণ। পণ্যের বৈচিত্র্যকরণ, মূল্য সেবা এবং দ্রুত কাস্টমস প্রক্রিয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিশ্ববাজারে নিজেদের চাহিদা বাড়াচ্ছে এখানকার স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো।
শেনচেনের পাও’আন জেলার একটি ইলেকট্রনিক্স প্রতিষ্ঠানে দেখা গেছে, বিশ্ব বাজারের জন্য কনটেইনারে ইলেকট্রিক ফ্যান লোডে ব্যস্ত সময় পার করছেন কর্মীরা।
প্রতিষ্ঠানটির ওয়্যারহাউস ম্যানেজার হে ক্যান জানান, ‘পিক আওয়ারে দিনে ১০টিরও বেশি কনটেইনার লোড করে তারা, যা সংখ্যায় প্রায় ২০ হাজার সেট ফ্যান।’
উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি সময়মতো সরববাহ নিশ্চিতে বিদেশি ক্রেতাদের ভিন্নধর্মী পেমেন্ট ব্যবস্থার কথা মাথায় রেখে একটি ‘পে-অ্যাজ-ইউ-গো’ মডেল চালু করেছে এ প্রতিষ্ঠানটি। এই পদ্ধতিতে গ্রাহকরা একটি নির্দিষ্ট ডিপোজিট দিয়ে পণ্য নিতে পারেন এবং ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে টপ-আপ করতে পারেন। এটি গ্রাহকদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি বাড়িয়েছে তাদের বিক্রিও।
প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা চাওসিপিং জানান, ‘ব্যবহারকারীরা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য টপ-আপ করেন এবং একটি পাসওয়ার্ড পান। ফ্যানটি বাড়িতে নিয়ে পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর তারা ওই নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এটি ব্যবহার করতে পারেন। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়ে গেলে পণ্যটি সম্পূর্ণভাবে তাদের মালিকানায় চলে যায়।’
যেহেতু শীতাতপ যন্ত্র একেবারেই ঋতুভিত্তিক এবং বিক্রির সময়সীমা খুব সংক্ষিপ্ত থাকে তাই উৎপাদন গতির পাশাপাশি কাস্টমস ও লজিস্টিকসের দক্ষতাও অর্ডার পাওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রপথে দ্রুত রপ্তানি নিশ্চিত করতে শেনচেন কাস্টমস বেশ কিছু সহজ ও কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে।
রাসেল/লুৎফর
তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি










