শনিবার , ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আন্তর্জাতিক
  3. এভিয়েশন
  4. কৃষি
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. চায়না কর্ণার
  8. ছবি
  9. জনপ্রিয়
  10. জাতীয়
  11. ডেঙ্গু
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাস
  15. প্রযুক্তি

জনগণ চাইলে শেখ হাসিনার সন্তানরাও রাজনীতিতে ফিরতে পারেন: তারেক রহমান

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ ৯:১৯ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

জনগণের সমর্থন ও গ্রহণযোগ্যতা থাকলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্তানদেরও দেশে ফিরে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার অধিকার রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, কে রাজনীতি করবে—সে সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত জনগণই নেবে।

শুক্রবার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনার সন্তানরা বিদেশ থেকে দেশে ফিরে রাজনীতিতে যুক্ত হতে পারবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন,
‘যদি কাউকে মানুষ গ্রহণ করে, যদি মানুষ তাদের স্বাগত জানায়, তাহলে যে কারো রাজনীতি করার অধিকার রয়েছে।’

একই সাক্ষাৎকারে তিনি নির্বাচনের পর ঐক্য সরকার গঠনের প্রস্তাব নাকচ করেন। তার মতে, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে সরকার গঠন করলে সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে পড়বে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
‘আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে কিভাবে আমি সরকার গঠন করি? তাহলে বিরোধী দল কে হবে?’

নির্বাচনী সম্ভাবনা নিয়ে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন পাওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। তবে সম্ভাব্য আসনসংখ্যা নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করেননি তিনি। বিএনপির ঘনিষ্ঠ সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, দলটি ৩০০ আসনের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয় পাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। এবারের নির্বাচনে বিএনপি ২৯২টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে, আর বাকি আসনগুলোতে তাদের জোটসঙ্গীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে—নির্বাচনে জিতলে কোনো নির্দিষ্ট দেশের দিকে ঝুঁকে পড়বে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা এবং তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই হবে বিএনপির প্রধান অগ্রাধিকার। তিনি বলেন,
‘আমরা যদি সরকারে থাকি, তাহলে আমাদের তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য আনতে হবে, যাতে নতুন চাকরি সৃষ্টি হয় এবং মানুষ ভালো জীবন যাপন করতে পারে।’

তিনি আরও বলেন,
‘বাংলাদেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে যে-ই আমার জনগণ ও দেশের জন্য জুতসই প্রস্তাব দেবে, তাদের সঙ্গেই আমরা বন্ধুত্ব রাখব। নির্দিষ্ট কোনো দেশের সঙ্গে নয়।’

প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ বর্তমানে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছে না। শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর তার পরিবারের সদস্যরাও দেশের বাইরে অবস্থান করছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলো বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

এদিকে, আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান, সম্ভাব্য জোট রাজনীতি, ঐক্য সরকার প্রসঙ্গ, বিরোধী দলের ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য—এসব বিষয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়ে উঠেছে।

সর্বশেষ - খেলাধুলা

আপনার জন্য নির্বাচিত