জুলাই ৭, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: চীন ও রাশিয়া পূর্ব চীনের শানতোং প্রদেশের ছিংতাওয়ের একটি সামরিক বন্দরে সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জয়েন্ট সি-২০২৬’ যৌথ নৌ-মহড়া শুরু করেছে।
দুই দেশের নৌবাহিনীর অংশগ্রহণে একটি যৌথ কমান্ড গঠন করা হয়েছে, যেখানে উভয় পক্ষের নৌ টাস্কফোর্স একসঙ্গে মহড়া পরিচালনা করবে।
মহড়াটি তিনটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। এগুলো হলো বাহিনীর সমাবেশ, বন্দরে পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং সমুদ্রে যৌথ অভিযান। এর মধ্যে বাহিনী সমাবেশ পর্ব রোববারই সম্পন্ন হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর দুই দেশের নৌবাহিনী কমান্ড ও কৌশলগত সমন্বয়বিষয়ক অনুশীলন পরিচালনা করে। একই সঙ্গে যৌথ কমান্ড সমুদ্রে পরিচালিতব্য মহড়ার প্রধান বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে।
পরবর্তী ধাপে অংশগ্রহণকারী যুদ্ধ জাহাজগুলো ছিংতাও উপকূলসংলগ্ন সমুদ্রে গিয়ে যৌথ নজরদারি, আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা এবং বাস্তব অস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সামরিক মহড়ায় অংশ নেবে।
এই যৌথ নৌ-মহড়ার লক্ষ্য দুই দেশের নৌবাহিনীর সমন্বয়, যৌথ অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা এবং সমুদ্র নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার করা।
নাহার/সাকিব
তথ্য ও ছবি: সিএমজি বাংলা
চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌ-মহড়া ‘জয়েন্ট সি-২০২৬’ শুরু
জুলাই ৭, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: চীন ও রাশিয়া পূর্ব চীনের শানতোং প্রদেশের ছিংতাওয়ের একটি সামরিক বন্দরে সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জয়েন্ট সি-২০২৬’ যৌথ নৌ-মহড়া শুরু করেছে।
দুই দেশের নৌবাহিনীর অংশগ্রহণে একটি যৌথ কমান্ড গঠন করা হয়েছে, যেখানে উভয় পক্ষের নৌ টাস্কফোর্স একসঙ্গে মহড়া পরিচালনা করবে।
মহড়াটি তিনটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। এগুলো হলো বাহিনীর সমাবেশ, বন্দরে পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং সমুদ্রে যৌথ অভিযান। এর মধ্যে বাহিনী সমাবেশ পর্ব রোববারই সম্পন্ন হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর দুই দেশের নৌবাহিনী কমান্ড ও কৌশলগত সমন্বয়বিষয়ক অনুশীলন পরিচালনা করে। একই সঙ্গে যৌথ কমান্ড সমুদ্রে পরিচালিতব্য মহড়ার প্রধান বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে।
পরবর্তী ধাপে অংশগ্রহণকারী যুদ্ধ জাহাজগুলো ছিংতাও উপকূলসংলগ্ন সমুদ্রে গিয়ে যৌথ নজরদারি, আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা এবং বাস্তব অস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সামরিক মহড়ায় অংশ নেবে।
এই যৌথ নৌ-মহড়ার লক্ষ্য দুই দেশের নৌবাহিনীর সমন্বয়, যৌথ অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা এবং সমুদ্র নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার করা।
নাহার/সাকিব
তথ্য ও ছবি: সিএমজি বাংলা











