শনিবার , ১৬ মে ২০২৬ | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আন্তর্জাতিক
  3. এভিয়েশন
  4. কৃষি
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. চায়না কর্ণার
  8. ছবি
  9. জনপ্রিয়
  10. জাতীয়
  11. ডেঙ্গু
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাস
  15. প্রযুক্তি

国际锐评|落实元首共识,以新定位开启中美关系新篇章সি-ট্রাম্প মতৈক্য দু’দেশের সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায় রচনা করেছে: সিএমজি সম্পাদকীয়

প্রতিবেদক
..... আকাশ
মে ১৬, ২০২৬ ৬:০৩ অপরাহ্ণ

Spread the love

মে ১৬: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৩ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত চীন সফর করেন। এবারের ঐতিহাসিক বেঠকে, দু’দেশের নেতৃবৃন্দ, চীন-মার্কিন সম্পর্ক ও বিশ্বের শান্তিপূর্ণ উন্নয়ন বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আন্তরিক, গভীর, গঠনমূলক ও কৌশলগত মত বিনিময় করেন। দু’নেতা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, ‘চীন-মার্কিন গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীল সম্পর্ক’-কে দু’দেশের সম্পর্কের নতুন অবস্থান হিসেবে গণ্য করা হবে, যা শুধু দু’দেশের সম্পর্কের জন্য কৌশলগত দিক-নিদের্শনা দেবে না, বরং বিশ্বের জন্যও স্থিতিশীলতা ও নিশ্চয়তা যোগাবে।

এবারের বৈঠক ছিল দু’দেশের নেতৃবৃন্দের গত বছরের অক্টোবরে বুসান বৈঠকের পর আবার সাক্ষাত। এটা ছিল কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের ৯ বছর পর ফের চীন সফর। এ সফরে পারস্পরিক বোঝাপড়া বেড়েছে; পারস্পরিক আস্থা জোরদার হয়েছে; বাস্তব সহযোগিতা সামনে এগিয়েছে; এবং দু’দেশের মানুষের জন্য কল্যাণ সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আমন্ত্রণে, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, চলতি বছরের শরতে যুক্তরাষ্ট্র সফর করবেন।

বর্তমানে, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি জটিল ও পরিবতর্নশীল। বিশ্ব এখন একটি নতুন সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্র ইতিবাচকভাবে পারস্পরিক সঠিক সম্পর্ক বজায় রাখছে। বিশ্ববাসীও প্রত্যাশা করছে যে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র হাতে হাত রেখে, মানবজাতির অভিন্ন সমস্যাগুলোকে সমাধান করতে পারবে।

এবারের বৈঠকে দু’দেশের নেতারা একমত হয়েছেন যে, ‘চীন-মার্কিন গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীল সম্পর্ক’-কে দু’দেশের সম্পর্কের নতুন অবস্থান হিসেবে গণ্য করা হবে। দু’দেশের জনগণ ও আন্তর্জাতিক সমাজ একে স্বাগত জানিয়েছে।

‘নতুন অবস্থান’-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, একে অপরের মৌলিক স্বার্থ ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগকে সম্মান করা। তাইওয়ান সমস্যা হচ্ছে চীন-মার্কিন সম্পর্কের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা দু’দেশের সম্পর্কের রাজনৈতিক ভিত্তির সাথে জড়িত। এবারের বৈঠকে, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেছেন, তাইওয়ান প্রণালীর শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করা হচ্ছে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় অভিন্ন লক্ষ্য। যুক্তরাষ্ট্রকে তাইওয়ান সমস্যা প্রশ্নে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বৈঠকে চীন পক্ষ উপলব্ধি করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র চীনের অবস্থান জেনেছে, চীনের উদ্বেগকে গুরুত্ব দিয়েছে; আন্তর্জাতিক সমাজের মতই যুক্তরাষ্ট্রও, তাইওয়ানকে বিছিন্ন করার ধারণা গ্রহণ করেনি।

চীন-মার্কিন সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নিতে বরাবরই অর্থ-বাণিজ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বতর্মানে যুক্তরাষ্ট্রে চীনা পুঁজি বিনিয়োগে প্রতিষ্ঠিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৭ হাজারেরও বেশি। আর, চীনে অবস্থিত মার্কিন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ৮০ হাজার। চীন-মার্কিন আর্থ-বাণিজ্যিক সম্পর্কের মূল হচ্ছে, পারস্পরিক কল্যাণ ও উভয় পক্ষের জয়।

এবারের বৈঠকে, চীনের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক কল্যাণকর সহযোগিতা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছে চীন । প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, এবার তার সঙ্গে যেসব মার্কিন উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এসেছেন, তাদেরকে চীনের সাথে সহযোগিতা বাড়াতে তিনি উত্সাহিত করছেন। বিশ্ববাসীর প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা সম্প্রসারণ করবে এবং মতবিরোধ কমাবে।

বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক হিসেবে, চীন-মার্কিন সম্পর্ক শুধু দু’দেশের গণকল্যাণের সাথে জাড়িত নয়, বরং বিশ্বের সব মানুষের স্বার্থের সাথে জড়িত। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, ইউক্রেন সংকটসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় করাসহ, একাধিক বিষয়ে এবারের বৈঠক ইতিবাচক কাজ করেছে, যা বিশ্বের জন্য স্থিতিশীলতার শক্তি যুগিয়েছে।

চলতি বছর হচ্ছে চীনের পঞ্চদশ পাঁচসালা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রথম বছর এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী। এ বিশেষ বছরে, চীন-মার্কিন সম্পর্কের একটি নতুন অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে। সময়ে প্রমাণিত হবে যে, ‘চীনা জাতির মহান পুনরুজ্জীবন’ এবং ‘মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ উদ্যোগ একে অপরের বাস্তবায়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে এবং বিশ্বের কল্যাণ বৃদ্ধির জন্যও কাজ করবে।

সর্বশেষ - খেলাধুলা