লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি–কমলনগর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেছেন, একটি পক্ষ নির্বাচনে জিততে নানা অপকৌশল ও ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিচ্ছে—এমন গুঞ্জন তিনি পাচ্ছেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা কেন্দ্র দখল করে বা বোরকা পরে জাল ভোট দিয়ে এমপি হতে চাই না। মানুষের সরাসরি ভোটে জয়ী হয়ে আপনাদের সেবা করতে চাই।”
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজ নির্বাচনি এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে আয়োজিত গণমিছিল ও পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, “একটি ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমরা দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে লড়াই-সংগ্রাম করেছি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে আপনারা সবাই নির্ভয়ে কেন্দ্রে যাবেন। আমরা জনগণের আস্থার ওপর বিশ্বাস করি।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা কোনো জাল ভোট, প্রবাসী ভোট বা মৃত ব্যক্তির ভোট দিতে দেব না এবং নিজেরাও দেব না।”
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি কঠোর বার্তা দিয়ে বলেন, নির্বাচনে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যাবে না কিংবা কাউকে হুমকি দেওয়া যাবে না। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণভাবে ঘরে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে একইদিন বিকেল ৩টার দিকে কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ বাজার থেকে বিশাল এক গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি লক্ষ্মীপুর–রামগতি আঞ্চলিক সড়কের বিভিন্ন অংশ প্রদক্ষিণ করে। এ সময় রামগতি ও কমলনগরের ৯টি ইউনিয়ন থেকে আসা হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক ধানের শীষের পক্ষে স্লোগানে স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলেন।
তোরাবগঞ্জ বাজার ছাড়াও করইতলা বাজার, চরলরেন্স বাজার, হাজিরহাট বাজার ও করুনানগর বাজারে পৃথক পৃথক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকদের দাবি, এসব কর্মসূচিতে অন্তত ৫০ হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
গণমিছিল ও পথসভায় উপস্থিত ছিলেন রামগতি উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল, সাবেক সহ-সভাপতি মীর আক্তার হোসেন বাচ্চু, কমলনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল হুদা চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এম দিদার হোসেন, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফখরুল আলম নাহিদ এবং রামগতি উপজেলা বিএনপির সদস্য আনম মঞ্জুর মোর্শেদসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের শীর্ষ নেতারা।












