শুক্রবার , ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ | ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আন্তর্জাতিক
  3. এভিয়েশন
  4. কৃষি
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. চায়না কর্ণার
  8. ছবি
  9. জনপ্রিয়
  10. জাতীয়
  11. ডেঙ্গু
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাস
  15. প্রযুক্তি

প্রযুক্তি খাতকে প্রয়োজনীয় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা.

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জানুয়ারি ৩০, ২০২৬ ১২:০৯ অপরাহ্ণ

Spread the love

দেশের প্রযুক্তি খাতকে প্রয়োজনীয় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যৎ বিশ্ব হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের, যেখানে আজ যেগুলো কল্পনাও করা যাচ্ছে না, সেগুলোই বাস্তব রূপ নেবে।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত দেশের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি প্রদর্শনী ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’–এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “প্রযুক্তির গতি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অগ্রগতি, দ্রুত থেকে দ্রুততর হচ্ছে। আমরা যদি নিজেদের গতি বাড়াতে না পারি এবং এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে না চলি, তাহলে কী ভয়াবহ গতিতে পিছিয়ে পড়ব—তা কল্পনাও করা যায় না।”

তিনি আরও বলেন, “এই প্রযুক্তি খাতই হচ্ছে মূল খাত। এখান থেকেই ভবিষ্যৎ রচিত হবে। তাই প্রযুক্তি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।”

এক্সপোর বৈশিষ্ট্য

চার দিনব্যাপী এই এক্সপোতে উদ্ভাবন, ডিজিটাল ডিভাইস, মোবাইল প্রযুক্তি, ই-স্পোর্টস এবং বি-টু-বি (B2B) জোনসহ বিভিন্ন বিভাগ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে দর্শনার্থীদের জন্য বিভিন্ন পণ্যে বিশেষ ছাড় ও অফারের ব্যবস্থাও রয়েছে। এক্সপোটি চলবে আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত।

আইসিটি বিভাগ, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ (বিএইচটিপিএ) এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) যৌথভাবে এই প্রযুক্তি প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

উদ্বোধনী অধিবেশন শুরু হয় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে। এরপর এক্সপোর থিম সং পরিবেশন করা হয় এবং একটি অডিও–ভিজ্যুয়াল প্রেজেন্টেশন প্রদর্শিত হয়।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব, আইসিটি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, বিসিএস সভাপতি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং বিএইচটিপিএর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, “বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে রপ্তানি আয় বর্তমান প্রায় ১০০ থেকে ১৪০ কোটি ডলার থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি মার্কিন ডলারে উন্নীত করার উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।” তিনি বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ সুরক্ষার আশ্বাসও দেন।

ভবিষ্যৎ লক্ষ্য ও আলোচনা

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা মানবসম্পদ উন্নয়নে যথাযথ বিনিয়োগের মাধ্যমে ডিজিটালি দক্ষ জাতি গঠনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। একই সঙ্গে ডিজিটাল সেবা রপ্তানিতে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সম্ভাবনা তুলে ধরেন তারা।

বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, খুব শিগগিরই বাংলাদেশ অন্য দেশের প্রযুক্তির ওপর নির্ভর না করে নিজস্ব উদ্ভাবনের মাধ্যমে বিশ্ববাজারে নতুন প্রযুক্তি উপস্থাপন করতে সক্ষম হবে।

এই এক্সপোর মূল উদ্দেশ্য হলো প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন আকর্ষণ, দেশের সক্ষমতা ও সাফল্য তুলে ধরা এবং প্রযুক্তি খাতে দেশি–বিদেশি বিনিয়োগে উৎসাহ দেওয়া।

এক্সপোতে মোট পাঁচটি সেমিনার ও চারটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে ডিজিটাল রূপান্তর, বৈশ্বিক বিনিয়োগ, স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম, ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার, অর্থায়ন, শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে বুদ্ধিমান সমাজ গঠন, ইনোভেশন ইকোসিস্টেমের ব্যবধান দূরীকরণ, ডিপ-টেক ভ্যালু চেইন, উৎপাদন ও রপ্তানি ভিশন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল রূপান্তরসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসবে।

অনলাইন ও সরাসরি নিবন্ধনের মাধ্যমে সবার জন্য এক্সপোতে প্রবেশ উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। স্যাটেলাইট ইন্টারনেট প্রযুক্তির মাধ্যমে পুরো ভেন্যু সম্পূর্ণ ওয়াই-ফাই কভারেজের আওতায় থাকবে।

এই এক্সপো শিল্পখাত ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনের একটি ব

সর্বশেষ - খেলাধুলা