বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে প্রবাসীর বাবা শহীদ সওদাগর এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ৮ মার্চ ইফতারের আগমুহূর্তে আল খারিজ শহরে আল তোয়াইক বলদিয়া কোম্পানির একটি শ্রমিক ক্যাম্পে থাকা মামুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় গুরুতর আহত হন। এরপর থেকে মামুন একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মঙ্গলবার সৌদি আরবের সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে লাইফ সাপোর্টে থাকা মামুনকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এসময় তিনি মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
এ বিষয়ে নিহত মামুনের মামাতো ভাই শাওন মোড়ল জানান, আবদুল্লাহ আল মামুনের একটি ছেলেসন্তান আছে।
উল্লেখ্য, ৮ মার্চের ওই হামলায় কিশোরগঞ্জের বাচ্চু মিয়া ও টাঙ্গাইলের মোশাররফ হোসেন নিহত হন। মামুন মিয়াসহ বেশ কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি আহত হন।



















