শুক্রবার , ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আন্তর্জাতিক
  3. এভিয়েশন
  4. কৃষি
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. চায়না কর্ণার
  8. ছবি
  9. জনপ্রিয়
  10. জাতীয়
  11. ডেঙ্গু
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাস
  15. প্রযুক্তি

ভোটে যানবাহন রিকুইজিশন কীভাবে, ডিএমপিকে জানাল ইসি

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ ৯:১৮ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে যানবাহন রিকুইজিশনের ক্ষেত্রে আইনবিধি মেনে স্থানীয়ভাবে প্রচলিত হার বা ভাড়ার ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করে মালিককে পরিশোধের বিধান অনুসরণ করার নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সংক্রান্ত বিধান তুলে ধরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-কে চিঠি পাঠিয়েছে ইসি।

সম্প্রতি ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয় শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে যানবাহন রিকুইজিশনের পদ্ধতি ও ক্ষতিপূরণের হার সংক্রান্ত আইনগত বিধান বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১ ফেব্রুয়ারি যানবাহন রিকুইজিশনের বিষয়ে ডিএমপি নির্বাচন কমিশনে চিঠি পাঠায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ইসি সচিবালয় থেকে সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান জানিয়ে দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) অর্ডিন্যান্স-১৯৭৬-এর বিধান অনুযায়ী নির্বাচনে মোবাইল ডিউটি, পেট্রোল ডিউটি, স্ট্রাইকিং রিজার্ভ, নির্বাচনি মালামাল পরিবহণ, ফোর্স পরিবহণসহ বিভিন্ন কাজে যানবাহন রিকুইজিশনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।

ইসি চিঠিতে আরও জানায়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ-৬ অনুযায়ী সরকার বা সরকার কর্তৃক এ উদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা কমিশনের অনুরোধের প্রেক্ষিতে লিখিত আদেশের মাধ্যমে কোনো ভোটকেন্দ্রে বা ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট বাক্স কিংবা অন্যান্য নির্বাচনি দ্রব্য পরিবহণ অথবা নির্বাচনসংক্রান্ত দায়িত্ব পালনরত কর্মকর্তা বা ব্যক্তিদের যাতায়াতের জন্য প্রয়োজনীয় যানবাহন বা জলযান অধিযাচন করতে পারবেন।

তবে শর্ত রয়েছে—কোনো প্রার্থী বা তার নির্বাচনি এজেন্ট কর্তৃক নির্বাচনসংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত যানবাহন বা জলযান রিকুইজিশন করা যাবে না

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি দফা (১)-এর অধীনে অধিযাচিত কোনো যানবাহন বা জলযানের দখল গ্রহণ করতে পারবেন এবং প্রয়োজনে পুলিশ বাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর সহায়তাও নিতে পারবেন।

যে ক্ষেত্রে যানবাহন বা জলযান রিকুইজিশন করা হবে, সে ক্ষেত্রে স্থানীয়ভাবে প্রচলিত হার বা ভাড়ার ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করে মালিককে তা পরিশোধ করতে হবে। তবে নির্ধারিত ক্ষতিপূরণে অসন্তুষ্ট হলে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের মালিক ৩০ দিনের মধ্যে সরকারের কাছে আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে সরকারের নিযুক্ত সালিশ কর্তৃক নির্ধারিত হারে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে।

এ ছাড়া চিঠিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশের ১০৩-ক ধারা অনুযায়ী যানবাহন রিকুইজিশনের বিধানও উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, অন্য কোনো আইনে যা-ই থাকুক না কেন, পুলিশ কমিশনারের লিখিত আদেশে জনস্বার্থে প্রয়োজন হলে সর্বোচ্চ সাত দিনের জন্য যে কোনো যানবাহন রিকুইজিশন করা যাবে। এ ক্ষেত্রেও যানবাহনের মালিককে নির্ধারিত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

এই সব আইনগত বিধান মেনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের বিভিন্ন কাজে প্রয়োজন অনুযায়ী যানবাহন রিকুইজিশনের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

এ বিষয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) আনিছুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, নির্বাচন উপলক্ষে প্রায় ২ হাজার ৪০০টি বাস, ৩০টি ট্রাক, প্রায় ১ হাজার ১০০টি লেগুনা এবং এক হাজারের বেশি মাইক্রোবাস রিকুইজিশন দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। এসব যানবাহন পুলিশসহ মোট নয়টি সংস্থার জন্য রিকুইজিশন করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে সেনাবাহিনী, আনসার, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং টেলিকম খাতের সংস্থাগুলো

এদিকে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন সংক্রান্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জারি করা পরিপত্রে বলা হয়েছে, সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে নামবে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোতায়েন থাকবে

পরিপত্রে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট বাহিনী নিজ নিজ সংস্থার যানবাহন ব্যবহারে অগ্রাধিকার দেবে। প্রয়োজনে যথাযথ বিধিবিধান অনুসরণ করে রিকুইজিশন অথবা ভাড়া করা যানবাহন ব্যবহার করা যাবে

সর্বশেষ - খেলাধুলা