শনিবার , ২০ জুন ২০২৬ | ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আন্তর্জাতিক
  3. এভিয়েশন
  4. কৃষি
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. চায়না কর্ণার
  8. ছবি
  9. জনপ্রিয়
  10. জাতীয়
  11. ডেঙ্গু
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাস
  15. প্রযুক্তি

চীনের সঙ্গে ১৭ চুক্তি-সমঝোতার সম্ভাবনা, আলোচনায় তিস্তা প্রকল্প

প্রতিবেদক
..... আকাশ
জুন ২০, ২০২৬ ১২:৩০ অপরাহ্ণ
চীনের সঙ্গে ১৭ চুক্তি-সমঝোতার সম্ভাবনা, আলোচনায় তিস্তা প্রকল্প

Spread the love

ঢাকা, জুন ২০, সিএমজি বাংলা: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফরে চীনের সঙ্গে ১৫ থেকে ১৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনার কথা বলেছেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং এবং প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের সঙ্গে আলোচনায় বাংলাদেশের তিস্তা প্রকল্প, সামরিক সহযোগিতা এবং চীনের চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগের যোগ দেওয়ার প্রসঙ্গ আলোচনায় থাকার কথাও বলেছেন তিনি। শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সরকার প্রধানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের বিস্তারিত তুলে ধরতে গিয়ে এসব তথ্য দেন পররাষ্ট্র সচিব।

চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের বিষয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত ১৫ থেকে ১৭টা দলিল চীনের সঙ্গে স্বাক্ষর হবে বলে আশা করছি। ১৩টা এমওইউ, দুটো চুক্তি, একটা অ্যাকশন প্ল্যান এবং আরেকটা প্রটোকল।

যমুনা-ব্রহ্মপুত্রের উজানে চীনা ড্যাম নির্মাণের প্রসঙ্গে ধরে পদ্মা বহুমুখী প্রকল্প ও তিস্তা প্রকল্প নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে করা প্রশ্নে পররাষ্ট্র সচিব সিয়াম বলেন, সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনা বা ইন্টিগ্রেটেড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট একটা আলোচনার বিষয় এবং আমি ধারণা করি সেই আলোচনা অনেক বিস্তৃত এবং সম্প্রসারিত। সেখানে আপনারা যে প্রসঙ্গগুলো তুলেছেন, তার বিস্তারিত আলোচনা হবে বলেই আমি ধারণা করি। আমরা তুলব তিস্তা প্রসঙ্গ তুলব। সেক্ষেত্রে অন্যান্য নদী ব্যবস্থাপনা বা ওয়াটার ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্র থেকে আরো আলোচনা বিস্তৃত হবে। 

চীনা প্রেডিডেন্টর সির যে চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগ, সেগুলোকে সাধুবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ সেগুলোতে যোগদানের বিষয় বিবেচন করছে বলেও মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র সচিব।

সেই চারটি উদ্যোগ হচ্ছে, গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (জিডিআই), গ্লোবাল সিকিউরিটি ইনিশিয়েটিভ (জিএসআই), গ্লোবাল সিভিলাইজেশন ইনিশিয়েটিভ (জিসিআই) এবং গ্লোবাল গভর্নেন্স ইনিশিয়েটিভ (জিজিআই)।

এই চার উদ্যোগের কোনোটিতে বাংলাদেশ এই সফরে যুক্ত হচ্ছে কি-না, এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের চারটি বৈশ্বিক উদ্যোগ আছে। সে চারটি উদ্যোগে যোগ হওয়ার বিষয়টা আমরা মোটামুটি কনসিডার করছি। 

তিনি বলেন, আমরা সফরের পরে বলতে পারব যে, কয়টি উদ্যোগে আমরা যোগ দিচ্ছি বা যোগ দিচ্ছি না। তবে, আমরা এ কথা নিশ্চিত করে বলতে পারি, আমরা এই সকল চারটি উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই এবং প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বিশ্ব নিয়ে নতুন চিন্তাভাবনা করছেন, সেটাকে আমরা মনে করি প্রশংসনীয় উদ্যোগ।”

বাংলাদেশ সরকারের তিস্তা মহাপরিকল্পনায় অর্থায়নের প্রস্তাব প্রসঙ্গে আরেক প্রশ্নে তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে। একটা স্টাডি হয়েছে, আমরা সেই বেশ কিছু আগে, সেই ফিজিবিলিটি স্টাডিটা আমরা রিভিজিট করেছি। কিন্তু রিভিজিট করার পর, আবার যেটা বললাম রিজার্ভার, ড্যামেজ সাইজ এগুলো আসলে তারপর সমস্ত আলোচনা হবে। সুতরাং এই পর্যায়ে আমরা সেই স্টেজে নাই।”

সামরিক কেনাকাটার বিষয়ে সফরে আলোচনা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, সামরিক কেনাকাটার বিষয়ে আলোচনা কর্মকর্তা পর্যায়ে হয়ে থাকে।

সামরিক ক্ষেত্রে চীনের সাথে আমাদের যোগাযোগ এবং দ্বিপাক্ষিক একটা সম্পর্ক রয়েছে। ক্রয়-বিক্রয় করবো কিনা, লিডারশিপ পর্যায়ে ওগুলো আসলে যে আলোচনা হয় (তা না), সেগুলো অপারেটিভ লেভেলে হয়। নিশ্চয়ই আমরা দ্বিপক্ষের সামরিক সহযোগিতা যেটা আছে, সেটা নিয়ে আলোচনা করব।

বিভিন্ন প্রকল্পের কী অর্থায়নের প্রস্তাব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী চীনে যাচ্ছেন, এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, সরকারপ্রধান পর্যায়ের বৈঠকে অর্থায়নের পরিমাণ ও খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় না। সেগুলো মন্ত্রী বা সচিব পর্যায়ের আলোচনায় হয়।

নাহার/ফয়সল

তথ্য ও ছবি-সিএমজি

সর্বশেষ - খেলাধুলা