রবিবার , ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আন্তর্জাতিক
  3. এভিয়েশন
  4. কৃষি
  5. ক্যাম্পাস
  6. খেলাধুলা
  7. চায়না কর্ণার
  8. ছবি
  9. জনপ্রিয়
  10. জাতীয়
  11. ডেঙ্গু
  12. ধর্ম
  13. নারী ও শিশু
  14. প্রবাস
  15. প্রযুক্তি

নির্বাচনের অপেক্ষায় সচিবালয়: রুটিন কাজেই সময় কাটছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ ২:০৮ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

হুল প্রতীক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আর মাত্র ১০ দিন বাকি। এই নির্বাচনকে ঘিরে সারা দেশজুড়ে চলছে নানা আলোচনা ও জল্পনা-কল্পনা। অফিস-আদালত থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের বাজার ও চায়ের দোকান—সবখানেই চলছে ভোটের হিসাব-নিকাশ। এর প্রভাব পড়েছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক কেন্দ্র সচিবালয়েও।

নির্বাচনকালীন সময়ে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূলত রুটিন কাজেই সময় পার করছেন। কাজের ফাঁকে ফাঁকে নিজেদের মধ্যে নির্বাচন, গণভোট ও নতুন সরকার নিয়ে আলোচনা করতে দেখা যাচ্ছে তাদের। সবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—কে ক্ষমতায় আসছে, নতুন সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো কেমন হবে এবং গণভোটের ফল কী দাঁড়াবে। নির্বাচিত সরকারের অপেক্ষায় দিন গুনছেন তারা।

গত কয়েক দিন সচিবালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ঘুরে দেখা যায়, এখন আলোচনার প্রধান বিষয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও আসন্ন নতুন সরকার। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসা ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গেও নির্বাচন নিয়ে কথা বলছেন। তবে কাজের চাপ আগের তুলনায় অনেক কম।

গত ১১ ডিসেম্বর নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার পর নীতি নির্ধারণী বিষয়গুলো নির্বাচন কমিশনের আওতায় চলে যাওয়ায় মন্ত্রণালয়গুলোর কার্যক্রম অনেকটাই সীমিত হয়ে এসেছে। জনপ্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ছাড়া অন্যান্য মন্ত্রণালয়গুলোতে তেমন ব্যস্ততা চোখে পড়ছে না। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রদবদল বন্ধ থাকায় দর্শনার্থী কিংবা তদবিরকারীদের ভিড়ও কমেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীরাও নির্বাচনি কাজে ব্যস্ত থাকায় প্রশাসনপাড়ায় আগের মতো সরব উপস্থিতি নেই।

এই নীরব পরিবেশে অতিরিক্ত কাজের চাপ না থাকায় কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও নিয়মিত কাজের চেয়ে নির্বাচনের খবরেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন। একাধিক কর্মকর্তা বলছেন, বর্তমানে সচিবালয় অনেকটাই ‘প্রাণহীন’।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় সচিবালয়ে ছিল ভিন্ন চিত্র। তখন বিভিন্ন ক্যাডারের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ মানুষের আনাগোনায় ভিড় লেগে থাকত, অতিরিক্ত গাড়ির চাপে সৃষ্টি হতো যানজট। রদবদল ও পদায়নের তদবিরে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো ছিল সরগরম। কিন্তু তপশিল ঘোষণার পর গত এক মাসে সেই চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে।

সচিবালয়ের একাধিক প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে সব মন্ত্রণালয়ের কাজের গতি অনেক কমে গেছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ছাড়া অন্য দপ্তরগুলোতে ঢিলেঢালা ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

জনপ্রশাসন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক কাজের গতি কমে যাওয়া নিয়মিত কাজের ব্যত্যয়। তাদের মতে, সরকার পরিবর্তন হলেও প্রশাসনের স্বাভাবিক কার্যক্রম একই গতিতে চলা উচিত। কারণ সরকার নীতি নির্ধারণ করে, আর তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব আমলাতন্ত্রের। কিন্তু বর্তমানে যে চিত্র দেখা যাচ্ছে, তা আগামী সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

এ ছাড়া গুঞ্জন রয়েছে, কিছু কর্মকর্তা পদ ধরে রাখা কিংবা ভালো পদে যাওয়ার আশায় সম্ভাব্য ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। এমন পরিস্থিতিকে তারা জাতির জন্য হতাশাজনক বলে মনে করছেন।

সর্বশেষ - খেলাধুলা

আপনার জন্য নির্বাচিত