টেস্ট ক্রিকেটে ভরাডুবির পর ভারতের বিপক্ষে এবার টি-টোয়েন্টিতেও বিব্রতকর হারের স্বাদ পেয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে রীতিমতো অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে দলটি। এমন হারের পর নিজেদের দুর্বল পরিকল্পনা এবং বোর্ডে পর্যাপ্ত রান না তুলতে পারার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
রোববার গোয়ালিয়রে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ভারতের কাছে ৭ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৯.৫ ওভারে ১২৭ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারীরা। জবাবে ৪৯ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় স্বাগতিক দলটি।
এদিন ব্যাটিং ও বোলিং দুই বিভাগেই বিবর্ণ ছিল টাইগাররা। একমাত্র মেহেদী হাসান মিরাজ ৩৫ রানে অপরাজিত থেকেছেন। কিন্তু রানের গতি বাড়াতে পারেননি। বল মোকাবেলা করেছেন ৩২টি। অধিনায়ক শান্তর সেট হয়েছিলেন ২৫ বলে করেন ২৭ রান। এছাড়া কোনো ব্যাটারই ১২ রানের বেশি করতে পারেননি।

এদিন ইনিংসের শুরু থেকেই ব্যাকফুটে ঢুকে যায় বাংলাদেশ। পাওয়ারপ্লেতে ওপেনার লিটন দাস দুই বলে চার এবং পারভেজ হোসেন ইমন নয় বলে আট করে আউট হন। ফলে৩৯ রানের বেশি আসেনি প্রথম ছয় ওভারে। তরুণ তৌহিদ হৃদয়ও একের পর এক ডট বলের চাপে ভেঙে পড়েন, স্পিডস্টার মায়াঙ্ক যাদবের ওভারে দিয়েছেন মেডেন। পরের ওভারে বরুণ চক্রবর্তীর বলে আউট হন লং-অনে।
পাওয়ারপ্লেতে খারাপ শুরু এবং ব্যাটসম্যানদের অত্যধিক উত্তেজনাপূর্ণ ব্যাটিং প্রদর্শনই হারের মূল কারণ বলে জানিয়ে শান্ত। টি-টোয়েন্টিতে প্রথম ছয় ওভার খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু আমরা শুরুটা ভালো করিনি। পরিকল্পনা ছিল ইতিবাচক ক্রিকেট খেলা এবং প্রথম বল থেকেই ইন্টেন্ট নিয়ে খেলা কিন্তু আমাদের কিছু ওভার ম্যানেজ করতে হয়েছে। পরের ম্যাচগুলোর জন্য আমাদের আরও ভালো পরিকল্পনা দরকার।’
সাদামাটা লক্ষ্যে ভারতীয় ব্যাটারকে খুব কমই পরীক্ষার মধ্যে ফেলতে পেরেছে বাংলাদেশের বোলাররা। ৪৯ বল বাকি রেখেই জয়। তারপরও বোলারদের দোষ দেননি শান্ত, ‘এরকম পিচে বোলারদের জন্য এটা খুব কঠিন। আমাদের আরও রান দরকার। কিন্তু আমি মনে করি রিশাদ ভালো বোলিং করেছে এবং মোস্তাফিজুরও।’



















